Saturday , 31 October 2020
আপডেট
Home » অন্যান্য » মোস্তাফা জব্বারকে সংবর্ধনা দিল বিসিএস
মোস্তাফা জব্বারকে সংবর্ধনা দিল বিসিএস

মোস্তাফা জব্বারকে সংবর্ধনা দিল বিসিএস

আজকের প্রভাত প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার মঙ্গলবার, সরকারের মন্ত্রীপরিষদের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার পর তার প্রিয় সংগঠন বিসিএসের ধানমন্ডি কার্যালয়ে সরাসরি আসেন এবং বিসিএস অফিসে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসের সভাপতি আলী আশফাক, সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. সুব্রত সরকার, পরিচালক মো. শাহিদ-উল মুনীরসহ অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, উপদেষ্টা মন্ডলী ও প্রাক্তন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিসিএসের সাধারণ সদস্যবৃন্দ।
বিসিএসের সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বারকে সরকারের মন্ত্রীপরিষদের অন্তর্ভুক্ত করায় বিসিএসের কার্যনির্বাহী কমিটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় মোস্তাফা জব্বার, তাকে বর্তমান সরকারের মন্ত্রীপরিষদের অন্তর্ভুক্ত করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে যে মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্ব দিবেন আমি আমার দায়িত্ব দৃঢ়চিত্তে পালন করার চেষ্টা করব। তবে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সুযোগ দিলে আমার তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরের বর্তমান কর্মক্ষেত্র অনুযায়ী আমি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই এবং সরকারের ডিজিটাল রূপান্তর ও এ সেক্টরে ডিজিটাল শিল্পবিপ্লব ঘটানোর চেষ্টা করব।
তিনি বলেন, বিসিএস বাংলাদেশের সকল তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বিসিএসের কর্মকান্ডকে আরো ব্যাপকতর করার জন্য আমরা সবাই সচেষ্ট থাকবো।
তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ৪ বার এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন। তিনি কম্পিউারে বাংলা ভাষা যুক্ত করার পথপ্রদর্শক এবং তার প্রতিষ্ঠানের বিজয় বাংলা কিবোর্ড ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা কিবোর্ড।
১৯৯৮ সালে কম্পিউটার এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহারের যুগান্তকারী আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন যার অভূতপূর্ব সাফল্য সকল কম্পিউটার ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাপক সুফল বয়ে আনে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইস্তেহারে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণায় তার লেখা নিবন্ধের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*