Sunday , 25 October 2020
আপডেট
Home » গরম খবর » শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ

ডেস্ক রিপোর্ট: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দিবসটি পালনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয়ভাবে দু’দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার সকালে শেরে বাংলানগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দলের পক্ষ থেকে ঢাকায় সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকালে জিয়ার মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ছাড়া সেখানে এক মিলাদ মাহফিল ও বিনামূল্যে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ড্যাবের উদ্যোগে সকাল থেকে শুরু হবে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ক্রোড়পত্র প্রকাশের পাশাপাশি বিভিন্ন পোস্টার ও ব্যানার ছাপানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের ডাক নাম কমল। ১৯৭১ সালে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় আসেন জিয়াউর রহমান। নানা পটপরিবর্তনের একপর্যায়ে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেছেন, এ দেশের এক চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত হন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। মাতৃভূমির মুক্তির জন্য নেতৃত্বহীন জাতির দিশারী হয়ে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন। স্বাধীনতা-উত্তর দুঃসহ স্বৈরাচারী দুঃশাসনে চরম হতাশায় দেশ যখন নিপতিত, জাতি হিসেবে আমাদের এগিয়ে যাওয়া যখন বাধাগ্রস্ত ঠিক তখনই জিয়াউর রহমান জনগণের নেতৃত্বভার গ্রহণ করেন। ক্ষমতায় এসেই মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, নিশ্চিত করেন মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার জন্মদিনে তার প্রদর্শিত পথেই আধিপত্যবাদের ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে জনগণের ঘাড়ে চেপে বসা বর্তমান ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পরাভূত করতে হবে। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং মৌলিক ও মানবাধিকার সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দেশবাসীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*