Thursday , 22 October 2020
আপডেট
Home » খেলাধুলা » হকির পাশে থাকলো গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স
হকির পাশে থাকলো গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স

হকির পাশে থাকলো গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ফাল্গুনের দ্বিতীয় দিনে আজ বিশ্বজুড়ে ভালবাসা দিবসে ছোয়া ছিল দেশের প্রায় সর্বত্র। তবে ক্রীড়াঙ্গনে হকির জন্য দিনটি নিয়ে এসেছে ভিন্নমাত্রা। হকির সঙ্গে ভালোবাসার বন্ধনকে আরও এগিয়ে নিল গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী।
বুধবার বিওএ ভবনে হকি ফেডারেশনের আরও তিন বছরের জন্য চুক্তি নবায়ন করেছে তারা। এক কোটি টাকার পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দূর্ঘটনা বীমাও দেবে। ফেডারেশনের পক্ষে সভাপতি আবু এসরার এবং গ্রীন ডেল্টার পক্ষে সিইও ফারজানা চৌধুরী চুক্তিতে সই করেন।
একই অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালে প্রিমিয়ার হকিতে চ্যাম্পিয়ন মেরিনার ইয়াংস ক্লাব ও রানার্সআপ ঊষা ক্রীড়া চক্রের হাতে ট্রফি তুলে দেন ফেডারেশনের সভাপতি ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল আবু এসরার। এ সময় সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসির এ চৌধুরী এবং সিইও ফারজানা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে হকি ফেডারেশনের সভাপতি আবু এসরার বলেন, কেবল ৩৩ বছরেই নয়, সামনে আরও এমন তিন বছর করে চুক্তি আমরা সই করতে চাই গ্রীন ডেল্টার সঙ্গে। কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। তাই আমাদের পথ চলায় সব সময় তাদের পাশে পেতে চাই। আশাকরি এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
প্রিমিয়ার লীগ, প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বিভাগ লীগের একমাত্র পৃষ্ঠপোষক এ প্রতিষ্ঠানটি। এবার নতুন একটি লীগের কথাও জানালেন সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেক। তার কথায়, আগামীতে পাইওনিয়ার লীগ করার ইচ্ছে রয়েছে আমাদের। গ্রীন ডেল্টা চাইলে সেটার পৃষ্ঠপোষকতাও তারা করতে পারে। তাছাড়া আমরা জাতীয় দল নিয়ে বেশ আশাবাদী। এশিয়ায় ছয় থেকে চার নম্বরে ওঠে আসতে চেষ্টা করছি। নাসির আহমেদ চৌধুরীর কথা, স্বাধীনতার আগে আমি ফুটবল পাগল ছিলাম। মোহামেডান, ইষ্ট বেঙ্গল এবং মোহন বাগানের খবর রাখতাম। কলকাতা থেকে পত্রিকা আসতো একদিন পরে। সেই খবর পড়তাম। কিন্তু স্বাধীনতার পর হকির সঙ্গে জড়িয়ে গেলাম। এখন পর্যন্ত আছি। ভবিষ্যতে আমার মেয়ে ফারজানাও থাকবে আশাকরি। শুধু পুরুষ দলই নয় মহিলা হকি দল গঠিত হলে তার পাশেও থাকবে তাদের প্রতিষ্ঠান।
২০১৪ সালে জাতীয় দলের ২৫ জন খেলোয়াড়কে দূর্ঘটনা বীমা দিয়েছিল গ্রীন ডেল্টা। এবারও সেই বীমা দিচ্ছে খেলোয়াড়দের। দলের ডিফেন্ডার মামুনুর রহমান চয়নের হাতে বীমার কাগজ তুলে দেয়া হয়। প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তিন লাখ টাকা দূর্ঘটনা বীমা দেয়া হয়েছে। ২০১৬ সালের প্রিমিয়ার লীগে সর্বোচ্চ গোলদাতা রাসেল মাহমুদ জিমিকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হয়। জিমির অনুপস্থিতিতে টাকার চেক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই রাকিন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতি আবু এসরারের হাতে হকির উন্নয়নে ১০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি ও কাউন্সিলর আলহাজ্ব একেএম মুমিনুল হক সাঈদ।
২৭-২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে আসন্ন প্রিমিয়ার লীগের দলবদল। এপ্রিলে প্রিমিয়ার লিগ শুরুর পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের। আম্পায়ারিং নিয়ে বিতর্ক এড়াতে লিগে ভিডিও রেফারেল পদ্ধতি রাখার কথা জানান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। তবে এ প্রক্রিয়া যথেষ্ট ব্যয়বহুল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*