Wednesday , 2 December 2020
আপডেট
Home » জাতীয় » আ.লীগের লোকজন দিয়ে নির্বাচনের মাঠ সাজানো হচ্ছে: বিএনপি
আ.লীগের লোকজন দিয়ে নির্বাচনের মাঠ সাজানো হচ্ছে: বিএনপি

আ.লীগের লোকজন দিয়ে নির্বাচনের মাঠ সাজানো হচ্ছে: বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন করতে উঠে-পড়ে লেগেছে আওয়ামী লীগ। এই জন্য নির্বাচনী মাঠ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনকে দলীয় লোকজন দিয়ে সাজানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি।
সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।
রিজভী বলেন, ২২ জেলার ডিসি রদবদল আগাম আওয়ামী নির্বাচনের নীল নকশা। তাদের দলীয় লোকজন দিয়ে নির্বাচনের জন্য মাঠ সাজানো হচ্ছে। গতকাল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের বক্তব্যেও এমন আলামত পাওয়া গেছে। তবে যতই মাঠ সাজানো হোক, নীল নকশা করা হোক খালেদা জিয়া বিহীন কোনো নির্বাচন এই দেশের জনগণ হতে দেবে না।
রিজভী আহমেদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হওয়ায় তার প্রতি প্রধানমন্ত্রী বারবার ক্ষোভের নির্দয় বহি:প্রকাশ ঘটাচ্ছে।
‘জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি থেকে খালেদা জিয়াকে বের করে দিয়েছে। তার সন্তানদের নির্যাতন করেও শেখ হাসিনা ক্ষান্ত হচ্ছে না। তাই মিথ্যা ও সাজানো মামলায় তাকে কারাগারে নেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগের অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কখনোই টিকেনি। শেখ হাসিনার দুঃশাসনের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জনগণ মেনে নেয়নি নিবেও না। আইনের শাসনকে উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে পুলিশ, প্রশাসন এরা যদি চেষ্টা করে কিছুদিন মনে হবে যে, সব শক্তি তাদের মধ্যে চলে এসেছে। কিন্তু অন্যায় এখানে চিরস্থায়ী হয় না, ভবিষ্যতে হবেও না।
‘অবৈধ ক্ষমতার জোরে শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীরা অনিয়ম ও সর্বব্যাপী দুর্নীতির জন্য এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। দুদক সরকারের টিকিটিও ছুঁতে পারবে না।’
রিজভী বলেন, গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন শান্তিপূর্ণ কর্মসুচি ঘরে করেন বাইরে কেন ? আমি বলতে চাই-ওবায়দুল কাদের সাহেব কী আওয়ামী লীগের সম্পাদকের পাশাপাশি জোনাল সামরিক শাসকের দায়িত্ব পালন করছেন। কারণ গণতন্ত্রে তো এ ধরণের ভাষা নেই। এখন হাসিনাতন্ত্র চলছে বলেই গণতন্ত্রহীন ভাষা প্রয়োগ করতে পারছেন ওবায়দুল কাদের সাহেবরা। আমরা যে কর্মসুচি পালন করছি তা গণতন্ত্রে স্বীকৃত কর্মসুচি। গণতন্ত্র মানে ঘরোয়া বা দহলিজে সভা করা নয়, বরং উন্মুক্ত স্থানে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করা। ওবায়দুল কাদের সাহেবদের ঐতিহ্যই হচ্ছে মানুষের গলায় ফাঁসির দড়ি দিয়ে কণ্ঠরোধ করা। জনসম্মতিহীন সরকারের প্রধান কাজই হচ্ছে মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। সেটি ওবায়দুল কাদের সাহেবরা নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*