Thursday , 26 November 2020
আপডেট
Home » জাতীয় » ২০২৪ সালের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য বিতাড়িত করবো: অর্থমন্ত্রী
২০২৪ সালের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য বিতাড়িত করবো: অর্থমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রীসহ অন্যরা

২০২৪ সালের মধ্যেই দেশ থেকে দারিদ্র্য বিতাড়িত করবো: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে সরকার আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘২০৩০ সাল নয়, ২০২৪ সালের মধ্যেই দেশ থেকে আমরা দারিদ্র্য বিতাড়িত করবো।’ বৃহস্পতিবার (২২ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া সংবর্ধনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে কৃষক কঠোর পরিশ্রম করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, যেসব মৎস্যজীবী চতুর্থ সর্বোচ্চ মিঠাপানির মাছ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে রূপান্তরিত করেছেন, যেসব প্রবাসী তাদের কষ্টার্জিত অর্থ পাঠিয়ে পঞ্চম সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আয়ের দেশে পরিণত করেছেন, যে লাখ লাখ গার্মেন্টকর্মীর পরিশ্রমে দেশ আজ তৈরি পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, বাংলাদেশের আজকের অবস্থানের জন্য তারাই কৃতিত্বের দাবিদার।’
প্রধানমন্ত্রী ২০০৮ সালে ‘ভিশন-২০২১’ স্বপ্ন দেখান এবং দেশের যুবসমাজকে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান জানান উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ করি। এজন্য আমাদের কৌশল ও নীতিমালা রচনা করি। আজকের উন্নয়ন তারই বাস্তবায়নের ফল। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত লক্ষ্যেই আমাদের নতুন কার্যক্রম সাজিয়ে নিচ্ছি।’
আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘গত দশক ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চলমান মন্দা সত্ত্বেও আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাফল্য-গাথা ধরে রাখতে পেরেছি। ২০১৭ সালে আমাদের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা স্বাধীনতা-পরবর্তী বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ধারাবাহিকভাবে গত সাত বছরের আমাদের জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশের অনেক বেশি।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা-নিবেদন করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘বঙ্গবন্ধু আমাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেন ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা। সেই ‘সোনার বাংলা’ গড়তে আমরা উদ্বুদ্ধ হয়েছি তারই নির্দেশনায়। তিনিই আমাদের অগ্রযাত্রার রাস্তাটিও বাতলে দিয়ে গেছেন। তিনি সবসময় আমাদের পাশে রয়েছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*