Tuesday , 20 April 2021
আপডেট
Home » জাতীয় » সারাদেশে বজ্রপাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯
সারাদেশে বজ্রপাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯

সারাদেশে বজ্রপাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯

ডেস্ক রিপোর্ট: কালবৈশাখীর ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে গতকাল রোববার বজ্রপাতে সারাদেশে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজ।
এদের মধ্যে সিরাজগঞ্জে বাবা-ছেলেসহ ৫ জন, মাগুরায় ৪ জন, নোয়াখালী, নওগাঁ ও গাজীপুরে ২ জন করে মারা গেছেন। আর রাঙ্গামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গোপালগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর, কাজিপুর ও কামারখন্দ উপজেলায় বজ্রপাতে পিতা-পুত্র ও কলেজছাত্রসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- শাহজাদপুর পৌর এলাকার ছয়আনিপাড়া মহল্লার ফারুক হাসানের ছেলে নাবিল হোসেন (১৭), রাশেদুল হাসানের ছেলে পলিং হোসেন (১৬), কাজীপুর উপজেলার ডিগ্রি তেকানী গ্রামের মৃত পারেশ মন্ডলের ছেলে শামছুল মন্ডল (৫৫) ও তার ছেলে আরমান (১৪) এবং কামারখন্দের পেস্তক কুড়াগ্রামের মৃত আহের মন্ডলের ছেলে কাদের হোসেন (৩৭)।
কাজিপুরের তেকানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুনার রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রোববার সকালে ডিগ্রি তেকানী চরে ছেলেকে সাথে নিয়ে বাদাম তুলছিলেন শামছুল। এ সময় ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাত হয়ে দু’জনেই ঝলসে যান। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে কাজিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
দুপুরের দিকে শাহজাদপুর উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে বজ্রপাতে নাবিল ও পলিং নামের দুই কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তারা পৌর এলাকার ছয় আনিপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও শাহজাদপুর ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র।
পোতাজিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনচার্জ (নার্স) আব্দুল লতিফ ওই দুই ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার পেস্তক কুড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতে বজ্রপাতে কাদের হোসেন (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আহের মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, কৃষক কাদের হোসেন বাড়ীর পাশেই নিজের ক্ষেতে ধান কাটছিলেন। হঠাৎ করেই বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে থাকে। এক পর্যায়ে বজ্রপাতে তার শরীর ঝলসে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মারা যান।
কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিলা বেগম বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মাগুরা: মাগুরা জেলায় বজ্রপাতে ও বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রোববার মাগুরা সদর ও শ্রীপুর উপজেলায় বজ্রপাতে ৩ জন এবং শালিখা উপজেলায় বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতরা হলেন- সদর উপজেলার অক্কুর পাড়ার ভ্যানচালক শামীম, রায় গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আলম, শালিখা উপজেলায় জয়পুরহাটের মনপুরা এলাকার আলম মিয়ার ছেলে মেহেদী (১৮) ও বাকলবাড়িয়া গ্রামের শক্তিপদ বিশ্বাসের ছেলে প্রল্লাদ বিশ্বাস (৪০)। এদের মধ্যে মেহেদির মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙে।
এলাকাবাসী জানান, দুপুর দেড়টার দিকে বজ্রপাতের সাথে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আলম মোল্যা এবং শামীম আহত হয়।
এদিকে, শালিখা উপজেলার বুনাগাতি মাঠে বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙে পড়লে বিদ্যুৎ অফিসের শ্রমিক মেহেদি গুরুতর আহত হয়। প্রায় একই সময়ে বাকলবাড়িয়া গ্রামে বজ্রপাতে আহত হন পল্লাদ বিশ্বাস।
এসময় আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ড. সুশান্ত কুমার বিশ্বাস জানান, আহত চারজনকে হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে পৃথক পৃথকভাবে অবগত করা হয়েছে।
নোয়াখালী: জেলার সেনবাগ উপজেলায় বজ্রপাতে শাহীন (৩০) নামে এক ধান কাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আরো ২ শ্রমিক আহত হন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে সহপাঠীদের সাথে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে পিয়াল (১৩) নামে এক ছাত্র মারা যায়। নোয়াখালী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর গ্রামের বশিরার দোকানের পার্শ্ববর্তী একটি খেলার মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পিয়াল নোয়াখালী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়নপুর গ্রামের সোহেল রানার ছেলে। তিনি নোয়াখালী জিলা স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
স্থানীয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার বৌদ্ধ পূর্ণিমার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় সকালে সহপাঠীদের সাথে ফুটবল খেলতে মাঠে যায় পিয়াল।
দুপুর ১২টার দিকে ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে পিয়াল ও তার সহপাঠীদের মাঠ থেকে উঠে আসে। পরে মাঠের পাশে ফেলে আসা জুতা আনার জন্য ছুটে গেলে আকস্মিক বজ্রপাতের শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় পিয়াল।
এ মর্মান্তিক খবর পেয়ে পিয়ালের বাবা সোহেল রানা হৃদরোগের আক্রান্ত হন। তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সুধারাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃতদেহ উদ্ধার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, রোববার বেলা ২টার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এসময় শাহীন নামে এক ধান কাটা শ্রমিক মারা যান। তিনি ভোলা জেলার তমুজদ্দিন উপজেলার সোনাপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। এসময় আহত হন একই গ্রামের আব্বাস (২৫) ও মনির (৫৫)।
সেনবাগ থানার ( ওসি) হারুন অর রশিদ বজ্রপাতে ধান কাটার এক শ্রমিক নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমিতে ৩ জন শ্রমিক ধান কাটার সময় হঠাৎ করে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হলে শাহীনসহ তিন শ্রমিক বজ্রপাতের শিকার হয়ে আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক শাহীনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নওগাঁ: নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা উপজেলায় বজ্রপাতে এক গৃহবধূ ও এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সাপাহারে সোনাভানের স্বামীসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
মৃতরা হলেন- সাপাহারের শিমুলডাঙ্গা রামাশ্রম গ্রামের সোনাভান (২২) এবং পোরশার বালিয়াচান্দা গ্রামের মুক্তার হোসেন (১৪)।
সাপাহার থানার ওসি শামসুল আলম জানান, রোববার দুপুরে নিজ বাড়িতে রান্নার কাজে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এ সময় একই সময়ে নিহতের স্বামী রুবেল হোসেন (৩০), পাশ্ববর্তী বাড়ির সালেহা বিবি (৪২) ও রাজু (১৫) আহত হন।

এদিকে, পোরশার বালিয়াচান্দা গ্রামে বজ্রপাত হলে গুরুতর আহত হয় স্কুলছাত্র মুক্তার হোসেন। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
রাঙ্গামাটি: জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে মনছুরা বেগম (৩৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। মনছুরা বেগম বাঘাইছড়ি উপজেলার মুসলিম ব্লক এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার নিশ্চিত করে বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমির হোসেন জানিয়েছেন, রোববার দুপুর ১টার দিকে রাঙ্গামাটির উপজেলার মুসলিম ব্লক এলাকার বাসিন্দা মনছুরা বেগম বজ্রপাতে মারা যান। লাশ পরিবারের কাছে রয়েছে। লাশ দাফনের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান ওসি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার আখাউড়ায় বজ্রপাতে আ. রহিম (৫০) নামে এক ধান কাটার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় আরেক শ্রমিক আহত হন। রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুগড়া ইউনিয়নের দরুইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
শ্রমিক রহিমের গ্রামের বাড়ি শ্রীমঙ্গল জেলায়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে দরুইন গ্রামের কৃষক তাজুল ইসলামের জমিতে ধান কাটতে যান আ. রহিমসহ কয়েকজন শ্রমিক। বৈরী আবহাওয়ার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে আ. রহিম গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। আহত হন অপর আরেকজন শ্রমিক।
তাদের আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর শ্রমিকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
এদিকে এ ঘটনা জানতে পেরে ধানি জমির মালিক কৃষক তাজুল ইসলাম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অসুস্থ অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান।
মোগড়া ইয়নিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি। হাসপাতাল থেকে মরদেহটি এনে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আরিফুল আমিন জানান, ঘটনাটি জানতে পেরেছি। লাশ উদ্ধার করতে থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।
গোপালগঞ্জ: জেলার কোটালীপাড়ায় বজ্রপাতে অশোক পান্ডে (২২) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছে।
রোববার বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার পীড়ার বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার পীড়ার বাড়ি গ্রামের জ্ঞানেন্দ্রনাথ পান্ডের ছেলে।
সুনামগঞ্জ: জেলার সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
কৃষক লিটন সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কৃষক লিটন বাড়ির পাশে ধানক্ষেত ধান দেখতে যান। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুর: গাজীপুরের কালিয়াকৈর ও শ্রীপুরে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে অন্তত পাঁচজন।
মৃতরা হলেন- গাইবান্ধার গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলার হরিনাথপুরের আব্বাস আলীর ছেলে জাফিরুল ইসলাম (২৮) ও গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ধলাদিয়া গ্রামের কালু কবিরাজের স্ত্রী বিলকিস বেগম (৪৩)।
কালিয়াকৈর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শ্রমিকরা মাটিকাটা এলাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় প্রবেশের সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
এতে কারখানার পাঁচজন শ্রমিক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। শেখ ফজিলাতুন নেছা বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাপিরুলের মৃত্যু হয়।
শ্রীপুরের রাজাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্ব ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল কাদির জানান, দুপুরে ঝড়ে উপড়ে পড়া গাছের ডালপালা কাটার কাজ করছিলেন বিলকিস বেগম। তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে জহিরুল ইসলাম (২০)।
হঠাৎ বজ্রপাতে বিলকিস বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং তার ছেলে আহত হন। জহিরুলকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*