Saturday , 8 May 2021
আপডেট
Home » অনলাইন » পর্দা কেলেঙ্কারির কাছে বালিশকাণ্ড হেরে গেছে: মির্জা ফখরুল
পর্দা কেলেঙ্কারির কাছে বালিশকাণ্ড হেরে গেছে: মির্জা ফখরুল
সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পর্দা কেলেঙ্কারির কাছে বালিশকাণ্ড হেরে গেছে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট: ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পর্দা কেনায় দুর্নীতির সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলা আলমগীর। তিনি বলেন, ‘একটি পর্দার মূল্য ৩৭ লাখ টাকা! এটি একটি হাসপাতালের জন্য কেনা হয়েছে। পর্দা কেলেঙ্কারির কাছে রূপপুরের বালিশকাণ্ড হেরে গেছে।’ শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংক দিয়েছে সরকার। আজ স ব্যাংক মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। আজকের পত্রিকায়ই আছে, অর্থমন্ত্রী বলেছেন হলমার্ককে আবার সুযোগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ লুটেরাদের আবার অর্থনীতিতে নিয়ে আসা হবে। এটাই হচ্ছে এই সরকারের মূল চরিত্র। এরা লুটেরা।’ চারদিকে লুট চলছে বলৌ তিনি মন্তব্য করেন।
এম. সাইফুর রহমানকে ক্ষণজন্মা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সাইফুর রহমানরা সবসময় জন্মান না। তারা ক্ষণজন্মা। জিয়াউর রহমান এই উজ্জ্বল নক্ষত্রকে তুলে নিয়ে এসেছিলেন। যিনি বটমলেস বাস্কেট থেকে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির বাংলাদেশের নিয়ে গেছেন।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিদেশিরা এখনও মনে করেন, জিয়াউর রহমানের জন্ম নাহলে পলিটিক্সে বাংলাদেশ একটা ফেইলড স্টেটে পরিণত হতো।’
গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলেন, ‘এই যে এখন যারা ছবি নিচ্ছে, তারা হয়তো এক দুই মিনিট দেখাতে পারবে। এই দোষটা হচ্ছে নীতির দোষ, এই সরকারের দোষ। সরকার তাদের কথা বলতে দেয় না। সরকার চায় না যে সত্য কথা যাক।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে সরকার বন্দি করে রেখেছে একটি মাত্র কারণে। তিনি যদি বাইরে থাকেন, তাহলে এই লুটপাট চলবে না। এভাবে মানুষের অধিকারকে বিনষ্ট করতে দেবে না। তিনি সমগ্র মানুষকে নিয়ে এটিকে প্রতিহত করবেন।’তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে আনবে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং তাদের প্রতিহত করবে।’
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*