Friday , 26 February 2021
আপডেট
Home » অনলাইন » সমালোচনাকারীদের দিকে তাকিয়ে ভ্যাকসিন ভেঙচি কেটেছে : তথ্যমন্ত্রী
সমালোচনাকারীদের দিকে তাকিয়ে ভ্যাকসিন ভেঙচি কেটেছে : তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারক দলের প্রধান দুই বৈজ্ঞানিকের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী

সমালোচনাকারীদের দিকে তাকিয়ে ভ্যাকসিন ভেঙচি কেটেছে : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে যারা সমালোচনা করেছিলেন মানুষের উৎসাহ দেখে তাদের দিকে তাকিয়ে ভ্যাকসিনটা ভেঙচি কেটেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্স’ আবিষ্কারক দলের প্রধান দুই বৈজ্ঞানিক কাকন নাগ এবং নাজনীন সুলতানার সঙ্গে শুভেচ্ছা বৈঠকে মন্ত্রী একথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সফলভাবে করোনা মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেন। অনেকেই আশঙ্কা করে বলেছিল, আমরা সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে পারবো না। সরকার ঘোষণা করেছিল জানুয়ারি মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন আসবে। সেই সময়েই ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। যখন ভ্যাকসিন আসলো তখন অপপ্রচার শুরু করা হলো- ‘এই ভ্যাকসিন জনগণ নেবে না, এটার ওপর তাদের আস্থা নেই।’
তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি প্রথমে এমপি মন্ত্রীদের নেয়ার কথা বলা হলো। এখন ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য যে পরিমাণ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে, এই ভ্যাকসিন নিয়ে যারা সমালোচনা করেছিলেন তাদের দিকে তাকিয়ে ভ্যাকসিনটা ভেঙচি কেটেছে। এটিই মনে হচ্ছে আজকে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অনেকেই মনে করেছিল করোনার শুরুতে বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ মরে লাশ রাস্তায় পড়ে থাকবে বলে আশঙ্কা করেছিল। বিএনপি জামায়াতসহ কিছু বুদ্ধিজীবী এই আশঙ্কা করেছিল। এরসঙ্গে কিছু বিদেশি মিডিয়াও সুর মিলিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তারা আরও আশঙ্কা করেছিলো এই মহামারি সময়ে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মানুষ অনাহারে মৃত্যুবরণ করবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে সারা দেশের প্রতিটি জেলায় ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। এমনকি উপজেলা পর্যায়েও পৌঁছে গেছে। জনগণের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এই ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য। আগামী ৭ তারিখে সারা দেশব্যাপী এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ উদ্বোধন করা হবে।’
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বঙ্গভ্যাক্স একটা সিঙ্গেল ডোজ ভ্যাকসিন। বিশ্বে আবিষ্কৃত বেশির ভাগই হচ্ছে ডাবল ডোজ ভ্যাকসিন। বঙ্গভ্যাক্স ভ্যাকসিন একবার নিলেই হয়ে যাবে। এটি একটি বড় দিক এই ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি কখন আমরা এই বঙ্গভ্যাক্স আমরা আমাদের জনগণের ওপর সফলভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হবো। সেই দিনের জন্য অপেক্ষা করছি। সেই সময় আমরা প্রয়োজনে অন্য দেশকেও সহায়তা করতে পারবো।’
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ, তথ্য সচিব খাজা মিয়া, সাবেক মুখ্যসচিব ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আবদুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*